রান্নাঘরের টিপস (১)

0
Array

রান্নাঘরের টুকিটাকি কিছু টিপস জানা থাকলে জরুরি ও প্রয়োজনীয় মুহূর্তে কাজে লাগানো যায়, সময়ও বাঁচে। কর্মব্যস্ত জীবনে নিজেদের প্রয়োজনে আমাদের সবাইকেই কমবেশি রান্না করতে হয়। একটা সময় ছিল, যখন শুধু মেয়েরাই রান্নার কাজ করতো। এখন সময় পাল্টে গেছে। নিজের প্রয়োজনে ছেলেমেয়ে উভয়ইকেই রান্না করতে হয়।

রান্নাবান্না আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি গুরুত্ত্বপূর্ণ অংশ। মানুষের জীবনযাত্রার সাথে তাল মিলিয়ে পাল্টাচ্ছে রান্নাবান্নার ধরন ও কৌশল। আসলে রান্না একটা আর্ট। এটাকে কখনও ছোট করে দেখা উচিত নয়। সবাই এই কাজটা পারেও না। এর জন্য দরকার প্রচুর বুদ্ধি, অনুমান ক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা। আবার অনেক সময় সাজিয়ে-গুছিয়ে রান্না করা সম্ভব হয় না। ঝটপট রান্নার কাজটা সেরে যেতে হয় অন্য কাজে। তাই বলে ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই। চলুন, তাড়াতাড়ি রান্না করার কিছু টিপস জেনে নিই।

১. রান্নার সময় ভাত, ডাল, দুধ উথলে পড়ে চুলা প্রায়ই নোংরা হয়। এক্ষেত্রে চুলা পরিষ্কারের জন্য প্রথমেই চুলার ওপর লবণ ছড়িয়ে দিন। চুলা ঠাণ্ডা হলে পরে গরম সাবান পানিতে কাপড় ভিজিয়ে জায়গাটি মুছে নিন।

২. রান্নাঘর আর খাবার ঘরে মাছির উপদ্রব এড়াতে নিমপাতার গোছা কয়েকটি স্থানে রেখে দিন।

৩. মাছ বেশি ভাজা হলে কিংবা রসুন বেশি ব্যবহার করলে পুরো বাড়িতেই দুর্গন্ধ ছড়ায়। তাই রান্না শুরুর আগেই একটা বাটিতে ভিনেগার ঢেলে চুলার কাছেই রাখুন। এটি গন্ধ শুকানোর পক্ষে আদর্শ।

৪. ফ্রিজে প্রায়ই দুর্গন্ধ হয়। এক্ষেত্রে ফ্রিজে কয়েকটি পাতিলেবুর টুকরো রেখে দিন। তাতে ভেতরের যাবতীয় গন্ধ শুষে নেবে ও ফ্রিজ পরিষ্কার রাখবে। এছাড়াও ফ্রিজের খাবার সবসময় ঢেকে রাখুন।

৫. অনেক সময় ফ্রিজে সবজি পচে দুর্গন্ধ হয়। তাই প্রতি সপ্তাহে একবার ফ্রিজ পরিষ্কার করা উচিত।

৬. বাসনপত্রে যদি মাছের গন্ধ হয়, তাহলে কয়েক ফোটা ভিনেগার ছিটিয়ে ধুয়ে নিলেই আর গন্ধ থাকবে না। আর রান্নাঘরে বা খাবার ঘরে বেশি মাছি হলে নিমপাতা থেঁতলে ওই ঘরের দু’চার জায়গায় রেখে দিলে মাছি আর আসবে না।

৭. মাছ-মাংস যদি ফ্রিজে বেশিদিন রাখতে হয়, তাহলে ভালো করে পানি বের করে নিয়ে তারপর প্যাকেট ভরে রাখলে অনেকদিন ভালো থাকবে।

৮. সেদ্ধ করার পর ডিমগুলোকে রেফ্রিজারেটরে তিন-চার দিন রাখতে চাইলে খোসা ছাড়িয়ে জলে ডুবিয়ে রেখে দেবেন। যাদের রেফ্রিজারেটর নেই তারা ডিমের ওপর সরিষের তেল লাগিয়ে রাখবেন তাহলে গ্রীষ্মকালেও ডিমগুলো পাঁচ/সাতদিন ভালো থাকবে।

৯. মরিচ বাটলে বা কাটলে হাত অসম্ভব জ্বালা করে। ঠাণ্ডা দুধের সর লাগান। জ্বালা কমে যাবে অথবা ঠাণ্ডা দুধ দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। হাত পুড়ে গেলেও তক্ষুনি ঠাণ্ডা দুধ দেবেন, ফোস্কা পড়বে না। আর তাতে জ্বালাও কমবে।

১০. স্যালাড বা অন্য কোনোভাবে কাঁচা শাকসবজি খেতে হলে সেগুলি ধুয়ে সমপরিমাণ পানি ও ভিনিগার মিশিয়ে তাতে ভিজিয়ে রাখুন, খানিকক্ষণ ভেজার পর তবেই ব্যবহার করুন, এতে জীবাণুমুক্ত হবে।

About Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • Click to Chat
  • Click to Chat
  • Click to Chat
  • Click to Chat