টেলিটক দিয়ে শুরু হবে ফাইভ-জি : মোস্তাফা জব্বার

0
Array

মোবাইল ফোনে ফাইভ-জি প্রযুক্তি টেলিটকের মাধ্যমেই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জগন্নাথ হল খেলার মাঠে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড আয়োজিত টেলিটক আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পঞ্চম প্রজন্মের ইন্টারনেট বা ফাইভ-জি প্রযুক্তির মাধ্যমে বর্তমানের তুলনায় ১০ থেকে ২০ গুণ বেশি গতির ইন্টারনেট পাওয়া যাবে। এতে অনেক দ্রুত গতিতে ইন্টারনেটের তথ্য ডাউনলোড এবং আপলোড করা যাবে। যার সেবার আওতা হবে ব্যাপক। ফাইভ-জি আসলে রেডিও তরঙ্গের ব্যবহার আরও বেশি নিশ্চিত করবে এবং একইসময় একই স্থানে বেশি মোবাইল ফোন ইন্টারনেটের সুবিধা নিতে পারবে।

সরকারের চলতি মেয়াদের মধ্যেই টেলিটককে দেশের নম্বর ওয়ান মোবাইল ফোন অপারেটর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তি ও বিনিয়োগসহ টেলিটককে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বিপ্লবে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক নেতৃত্বের জায়গায় পৌঁছে দিয়েছেন। তারই নেতৃত্বে আমরা টেলিটকের বিদ্যমান প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে সক্ষম হবো। সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে টেলিটককে মানুষের প্রত্যাশার জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।’

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী টেলিটকের গ্রাহক সেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের আরও তৎপর হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি সমন্বয়ের মাধ্যমে টেলিটকের চলমান উন্নয়নে কাজ দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করারও তাগিদ দেন।

পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং মানসিক ও শারীরিক উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে জানিয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘কম্পিউটারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পারস্পরিক পরিচয় হয় কিন্তু ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মাধ্যমে একে অন্যের কাছে আসার সুযোগ সৃষ্টি করে। যা মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে।’

সপ্তম বারের মতো অনুষ্ঠিত আন্তঃবিভাগ টুর্নামেন্টে টেলিটকের সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ডিভিশন মার্কেটিং ও প্রজেক্ট বিভাগকে হারিয়ে টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন শিরোপা অর্জন করে।

অনুষ্ঠানে টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহাবুদ্দীন এবং জগন্নাথ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ওয়াসিম সরকার বক্তব্য উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন।

About Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • Click to Chat
  • Click to Chat
  • Click to Chat
  • Click to Chat